বিসিএস প্রস্তুতি প্রিলি বাংলা সাহিত্য ও সাহিত্যের ইতিহাস

বিসিএসব প্রস্তুতি প্রিলি

৪১,৪২ ও ৪৩ তম বিসিএস প্রস্তুতি প্রিলি জন্য বাংলা থেকে বাংলা সাহিত্য ও সাহিত্যের ইতিহাস সম্পকের্ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস শুরু হয় – চর্যাপদের কাল থেকে। বাংলা সাহিত্যের যুগকে ভাগ করা হয়েছে – ৩ ভাগে।

(ক) প্রাচীন যুগ (৬৫০-১২০০)

(খ) মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০)                         

(গ) আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান)

বিসিএস প্রস্তুতি প্রিলি এর জন্য বাংলা সাহিত্য ও সাহিত্যের ইতিহাস

প্রাচীন যুগ

BCS Preparation (বিসিএস প্রস্তুতি প্রিলি)

চর্যাপদ

✅বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।

✅চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় – নেপালের রাজদরবার থেকে, ১৯০৭ সালে।

✅চর্যাপদের পুঁথিগুলো বই আকারে প্রকাশ পায় – ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।

✅চর্যাপদের পদগুলো রচিত – মাত্রাবৃত্ত ছন্দে।

রচনা কাল

✅ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে, চর্যাপদের রচনাকাল – ৬৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ।

✅ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে রচনাকাল – ৯৫০-১২০০ খ্রিস্টাব্দ।

চর্যাপদের পদকর্তা পদসংখ্যা

✅চর্যাপদের পদকর্তা হিসেবে পাওয়া যায় – মোট ২৩ জন, মতান্তরে ২৪ জনের পরিচয়।

✅চর্যাপদকর্তাদের নামের শেষে যোগ করা হয়েছে – গৌরবসূচক ‘পা’ (পদ রচনার জন্য)।

✅চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি পদের রচয়িতা – কাহ্নপা।

✅চর্যাপদের আধুনিকতম পদকর্তা – সরহপা অথবা ভুসুকুপা।

✅চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা – লুইপা।

✅ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে চর্যাপদের পদ রয়েছে – ৫০টি। প্রাপ্ত পদ সাড়ে ছেচল্লিশটি (৪৬.৫টি)।

✅চর্যাপদের যেসব পদ পাওয়া যায়নি – ২৩ নং খন্ড, ২৪, ২৫ ও ৪৮ নং পদ।

✅চর্যার অনেকগুলো পদ মূলত – গানের সংকলন।

চর্যাপদের ভাষা

✅চর্যাপদের ভাষাকে সন্ধ্যা ভাষা বা সান্ধ্য ভাষা বলে। চর্যাপদের কবিতাগুলো লেখা মাত্রাবৃত্ত ছন্দে।

চর্যাপদের বাঙালি কবি

✅চর্যাপদের প্রাচীন কবি শবরপা ছিলেন – বাঙালি।

✅বেশিরভাগ পণ্ডিতগণের মতে – ভুসুকুপাকে বাঙালি কবি বলে গণ্য করা হয়।

✅প্রথম বাঙালি কবি হিসেবে পূর্ণাঙ্গ পদ রচনা করেন – লুইপা।

মধ্য যুগ

বিসিএস প্রস্তুতি প্রিলি

✅বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ধরা হয় – ১২০১-১৮০০ খ্রিস্টাব্দকে। তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি না হওয়ায় মধ্যযুগের প্রথম ১৫০ বছরকে (১২০১-১৩৫০ সাল) বলা হয়- অন্ধকার যুগ।

✅বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ শুরু হয় – বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের মধ্য দিয়ে।

✅মধ্যযুগের কাব্যধারার প্রধান ধারা – ৪টি। যথা-

(ক) মঙ্গলকাব্য                  (খ) বৈষ্ণব পদাবলী             (গ) রোমান্সধর্মী প্রণয়োপাখ্যান           (ঘ) অনুবাদ সাহিত্য।

✅মধ্যযুগের আদি নির্দশন – শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।

✅মধ্যযুগের মুসলমান সাহিত্যিকদের কৃতিত্ব – রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনা।

✅মধ্যযুগের সাহিত্যধারা বিভক্ত – ৩ ভাগে।

(i) প্রাক-চৈতন্যযুগ (১২০১-১৫০০)     (ii) চৈতন্যযুগ (১৫০১-১৬০০)           (iii) চৈতন্য পরবর্তী যুগ ১৬০১-১৮০০)।

✅মধ্যযুগের প্রধান মুসলিম কবি – দৌলত কাজী ও আলাওল।

✅মধ্যযুগের শেষ কবি – ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

✅অন্ধকার যুগের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম রামাই পণ্ডিতের ‘শূন্যপুরাণ’ হলায়ূধ মিশ্রের ‘সেক শুভোদয়া’।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন

✅বড়ু-চণ্ডিদাস রচিত মধ্যযুগের প্রথম কাব্য – শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।

✅‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে খণ্ড- আছে – ১৩টি।

✅‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র – কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই।

✅‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের বড়াই – রাধাকৃষ্ণের প্রেমের দূতি।

✅‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি উদ্ধার করেন – বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ (১৯০৯ সালে)।

✅পশ্চিম বঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় নামক এক ব্রাহ্মণের বাড়ির গোয়াল ঘর থেকে -বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এ কাব্যটি উদ্ধার করেন।

✅এই কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে।

বৈষ্ণব পদাবলী

✅মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ – বৈষ্ণব পদাবলী।

✅বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা – চণ্ডীদাস।

✅বৈষ্ণব পদাবলীর মহাকবি বলা হয় – বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, বলরাম দাস প্রমুখকে।

✅বৈষ্ণব পদাবলীর অধিকাংশ পদ রচিত – ব্রজবুলি ভাষায়।

✅ব্রজবুলি ভাষা হলো – একটি কৃত্রিম ভাষা (বাংলা ও মৈথিলী ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি)।

মঙ্গল কাব্য

✅বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্যই হলো – মঙ্গলকাব্য।

✅মঙ্গলকাব্যের মূল উপজীব্য – দেবদেবীর গুণগান।

মনসামঙ্গল

✅বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম ধারা – মনসামঙ্গল।

✅মনসামঙ্গলের আদিকবি – কানাহরিদত্ত।

✅মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম – পদ্মপুরাণ।

চণ্ডীমঙ্গল

✅চণ্ডীমঙ্গলের আদি কবি – মানিক দত্ত।

✅মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর উপাধি – কবিকঙ্কন।

✅চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র কালকেতু।

✅চণ্ডীমঙ্গল কাব্য রচিত – চণ্ডীদেবীর কাহিনী অবলম্বনে।

✅কবি মুকুন্দরামের সবচেয়ে জনপ্রিয় কাহিনী কাব্য – কালকেতু উপাখ্যান।

✅বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঠগ চরিত্র – ভাড়ু-দত্ত।

অন্নদামঙ্গল

✅দেবী অন্নদার বন্দনা আছে – অন্নদামঙ্গল কাব্যে।

✅অন্নদামঙ্গল ধারার প্রধান কবি – ভারতচন্দ্র রায়।

✅ভারতচন্দ্রের উপাধি – রায়গুণাকর।

ধর্মমঙ্গল কাব্য

✅ধর্ম ঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য সূত্রপাত হয়েছে – ধর্মমঙ্গল কাব্যের।

✅ধর্মমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি – ময়ূরভূট্ট।

কালিকামঙ্গল কাব্য

✅দেবী কালীর মাহাত্ম্য বর্ণনামূলক গ্রন্থ – কালিকামঙ্গল।

✅কালিকামঙ্গলের আদি কবি – কবি কঙ্ক।

মর্সিয়া সাহিত্য

✅মর্সিয়া শব্দের অর্থ – শোক প্রকাশ করা।

✅দুই জন উল্লেখযোগ্য মর্সিয়া সাহিত্য রচনাকারীর নাম- দৌলত উজির বাহরাম খান ও শেখ ফয়জুল্লাহ।

✅জঙ্গনামা কাব্য রচনা করেছিলেন – দৌলত উজির বাহরাম খান।

নাথ সাহিত্য

✅মধ্যযুগে রচিত শিব উপাসক এক শ্রেণির ধর্মপ্রচারকারী সাহিত্য – নাথ সাহিত্য।

✅নাথ সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য রচনা – গোরক্ষ বিজয়।

✅গোরক্ষ বিজয়ের রচয়িতা – শেখ ফয়জুল্লাহ।

অনুবাদ সাহিত্য

✅বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে কবিরা হাত দিয়েছিলেন- অনুবাদ সাহিত্যে।

✅পৃথিবীতে জাত মহাকাব্য – ৪টি। যথা- রামায়ণ, মহাভারত, ইলিয়াড ও ওডেসি।

মহাভারত

✅মহাভারত রচিত – সংস্কৃত ভাষায়।

✅মহাভারত যে কয় খণ্ডে রচিত হয় – ১৮ খণ্ডে।

✅মহাভারতের শ্লোক সংখ্যা – ৮৫০০০।

✅মহাভারত প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন – কবীন্দ্র পরমেশ্বর।

রামায়ণ

✅রামায়ণ লিখেন – বাল্মীকি।

✅বাল্মীকির মূল নাম – রত্নাকর দস্যু।

✅‘বাল্মীকি’ অর্থ – উইপোকার ঢিবি।

✅রামায়ণের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ অনুবাদক – কবি কৃত্তিবাস ওঝা (পনের শতকের কবি)।

মুসলিম সাহিত্য রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান

✅মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মুসলমান কবিদের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অবদান – রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।

✅বাংলা ভাষায় প্রথম মুসলমান কবির নাম – শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।

✅দৌলত উজিরবাহরাম খাঁন রচিত ‘লায়লী-মজনু’ কাব্য – পারসিয়ান কবি জামি’র ‘লায়লা ওয়া মজনুন’ কাব্যের ভাবানুবাদ।

আরাকান (রোসাঙ্গ) রাজসভায় বাংলা সাহিত্য

✅আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি – দৌলত কাজী।

✅আরাকান রাজসভার উল্লেখযোগ্য কবি – আলাওল, দৌলত কাজী কোরেশী, মাগন ঠাকুর।

লোকসাহিত্য মৈমনসিংহ গীতিকা

✅গাঁথা, কাহিনী, গান, ছড়া, প্রবাদ – লোকসাহিত্যের আওতাভুক্ত।

✅লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম নির্দশন – ছড়া/প্রবচন ও ধাঁধা

✅ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে ও স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় গীতিকাগুলো সংগ্রহ করেন- চন্দ্রকুমার দে।

✅ঠাকুরমার ঝুলি, ঠাকুরদাদার ঝুলি প্রভৃতি রূপকথার বই সম্পাদনা করেন – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার।

✅Ballad অর্থ – গীতিকা।

✅মৈমনসিংহ গীতিকা সম্পাদনা করেন – ড. দীনেশচন্দ্র সেন।

শায়েরকবিওয়ালা পুঁথি সাহিত্য

✅কবিওয়ালাদের মধ্যে প্রাচীন কবি – গোঁজলা গুই।

✅দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক কবি – ফকির গরীবুল্লাহ্‌ , সৈয়দ হামজা, মোহাম্মদ দানেশ।

✅বাংলা টপ্পা গানের জনক – রামনিধি গুপ্ত।

✅‘নানান দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশি ভাষা, পুরে কি আশা?’- পঙ্গক্তিটি রচনা করেন – রামনিধি গুপ্ত।

✅পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক – সৈয়দ হামজা।

আধুনিক যুগ

বিসিএস প্রস্তুতি প্রিলি

✅আধুনিক যুগের সময়কাল – ১৮০১-বর্তমান।

✅বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয় – আধুনিক যুগের প্রথম পর্যায়ে।

✅আধুনিক যুগে মহাকাব্যের ধারা প্রবর্তন করেন – মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

বাংলা গদ্যের প্রাথমিক পর্যায়

✅বাংলা ভাষার প্রথম গদ্য লেখক – পর্তুগিজ পাদ্রি মনোএল দা আসসুম্পসাঁও।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ বাংলা গদ্য

✅ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৮০০ সালের ৪ মে।

✅ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগ খোলা হয় – ১৮০১ সালে।

✅বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থের নাম – কথোপকথন (১৮০১)।

✅বত্রিশ সিংহাসন-এর রচয়িতা – মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কর।

✅বাংলা গদ্য সাহিত্য বিকাশে বিশেষ অবদান রয়েছে – ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের।

✅ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যক্ষ ছিলেন – উইলিয়াম কেরি।

শ্রীরামপুর মিশন ছাপাখানা

✅শ্রীরামপুর মিশন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে।

✅১৮১৮ খ্রিস্টাব্দে এই মিশন থেকে যে দুটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়- ‘দিগদর্শন, ও ‘সমাচার দর্পণ’।

✅উপমহাদেশে প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৪৯৮ সালে।

✅ঢাকায় প্রথম ছাপাখানা প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৮৬০ সালে (‘বাংলা প্রেস’; ১৮৬০ সালে মুদ্রিত দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ)।

হিন্দু কলেজ ইয়ংবেঙ্গল

✅হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৮১৭ সালে।

✅‘ইয়ংবেঙ্গল’ বলতে বুঝায় – ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক।

✅‘ইয়ংবেঙ্গল’ এর মন্ত্রগুরু – হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।

✅‘ইয়ংবেঙ্গল’ আত্মপ্রকাশ করে – ১৮৩১ সালে।

মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি

✅মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৮৬৩ সালে।

✅মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন – আবদুল লতিফ।

বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ

✅‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯১১ সালে।

✅‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ’-এর প্রথম সম্পাদক – ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ

✅‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯২৬ সালে।

✅‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ এর মাধ্যমে সূত্রপাত হয় – ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলন।

✅ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র – ‘শিখা’ পত্রিকা।

✅‘শিখা’ পত্রিকার স্লোগান ছিল – ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখাবে অসম্ভব’।

✅‘শিখা’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় – ১৯২৭ সালে।

বাংলা একাডেমি

✅বাংলা ভাষা বিষয়ক বৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান – বাংলা একাডেমি।

✅বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর।

✅যে প্রেক্ষাপটে ‘বাংলা একাডেমি’ প্রতিষ্ঠিত হয়- ভাষা আন্দোলন।

✅বাংলা একাডেমি ভবনের পুরাতন নাম – বর্ধমান হাউস।

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

✅এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৭৪৮ সালে।

✅এশিয়াটিক সোসাইটি’র প্রতিষ্ঠাতা – স্যার উইলিয়াম জোন্স।

✅‘বাংলাপিডিয়া’ প্রকাশিত হয় – ২০০৩ সালে।

পত্রিকা, সাময়িকী সম্পাদক

✅ভারতবর্ষের প্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র – ‘বেঙ্গল গেজেট’ (ইংরেজি এ সাময়িকপত্রটি জেমস অগাস্টাস হিকি কর্তৃক ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়)।

✅শ্রীরামপুর মিশন থেকে ১৮১৮-তে ‘সমাচার দর্পণ’ নামক একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা বের হয়, যার সম্পাদক ছিলেন – জন ক্লার্ক মার্শম্যান।

উপন্যাস

✅লেখকের জীবনদর্শন ও জীবনানুভূতিকে বাস্তবকাহিনী অবলম্বনে শিল্পকর্মে রূপায়ণই উপন্যাস।

✅বাংলা উপন্যাস রচনার সূচনা – উনিশ শতকের প্রথমার্ধে।

✅বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

বাংলা নাটকের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

✅বাংলা নাটক প্রথম মঞ্চে অভিনীত হয় – ১৮৫৭ সালে।

✅বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক নাটক তারাচরণ সিকদার রচিত – ‘ভদ্রার্জুন’ (১৮৫২) [এটি বাঙালি কর্তৃক রচিত প্রথম নাটক]।

✅বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ও আধুনিক নাটক – শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯) [ মাইকেল মধুসূদন দত্ত]।

✅বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক – ‘কৃষ্ণকুমারী’ (১৮৬১)।

✅বাংলা সাহিত্য প্রথম মুসলিম নাট্যকার রচিত নাটক – ‘বসন্ত কুমারী’ (১৮৭৩) [রচয়িতা- মীর মশারফ হোসেন]।

✅ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম নাটক – নীলদর্পণ (১৮৬০) [রচয়িতা- দীনবন্ধু মিত্র]।

✅প্রহসনমূলক নাটক মূলত – হাস্যরস প্রধান।

নাটক সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

✅মানুষের সুখ-দুঃখকে অভিনয়ের প্রকাশরীতি হলো – নাটক।

✅নাটকের অপর নাম – দৃশ্যকাব্য।

✅বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হয় – ‘কবর’ নাটক।

✅মাইকেল মধুসূদন রচিত সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক – কৃষ্ণকুমারী।

প্রবন্ধের উদ্ভব ক্রমবিকাশ

✅প্রবন্ধ বলতে বুঝায় – কোনো বিষয়ের ওপর বুদ্ধিভিত্তিক আলোচনা।

✅প্রথম সমাজসংস্কারমূলক প্রবন্ধ রচয়িতা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

✅বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ব্যঙ্গরসাত্মক রচনা – কমলাকান্তের দপ্তর (১৮৭৫)।

আধুনিক কাব্যধারা সম্পর্কিত তথ্য

✅আধুনিক যুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম কাব্য – ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ (১৮৫৮)।

✅আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি – বিহারীলাল চক্রবর্তী। তাঁর রচনাসমূহ- বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০); সারদামঙ্গল (১৮৭৯); সাধের আসন (১৮৮৯)।

✅বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহ প্রধান কাব্য – অগ্নিবীণা (নজরুল রচিত)।

✅বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য – বীরাঙ্গনা কাব্য (মাইকেল মধুসূদন দত্ত)।

বাংলা কবিতা

✅কবিতা বলতে বুঝায় – ভাবনার ছন্দময় প্রকাশ।

✅বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ধারা – কবিতা।

✅বাংলা সাহিত্যে যুগসন্ধিক্ষণের কবি – ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।

✅আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি – স্বর্ণ কুমারী দেবী।

আধুনিক বাংলা কবিতা

✅আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি – মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

মহাকাব্য

✅বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য – মেঘনাদবধ (১৮৬১); রচয়িতা – মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

✅প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের প্রভাবে রচিত ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের কাহিনীর উৎস – রামায়ণ।

✅পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী নিয়ে রচিতা মহাকাব্য – মহাশ্মশান (রচয়িতা- কায়কোবাদ)

ছোটগল্প

✅ছোটগল্প বলতে বুঝায় – স্বল্প ভাষায় ও স্বল্প পরিসরে জীবনের খণ্ডাংশের বর্ণনা।

✅বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল – ছোটগল্প।

✅বাংলা সাহিত্যের কনিষ্ঠতম শাখা – ছোটগল্প।

✅বাংলা ছোটগল্প উৎকর্ষ লাভ করে – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে।

✅বাংলা সাহিত্যের সার্থক ছোটগল্পকার – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

✅বাংলা ছোটগল্পের জনক বলা হয় – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।

আরো জানতে….

মডেল টেস্ট দিতে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *